বহিষ্কার করা হবে দল থেকে অভিযুক্ত ওই সদস্যকে। 
নিজস্ব সংবাদদাতা, মথুরাপুর : এক বধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মথুরাপুর এক নম্বর ব্লকের মথুরাপুর পশ্চিম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতা বৃহস্পতিবার দুপুরে মথুরাপুর থানায় অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য বাপ্পাদিত্য হালদারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে থানায় অভিযোগ হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য পলাতক। ঘটনার খবর চাউর হতেই জোর আলোড়ন ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের কুকীর্তিতে সরব হয়েছে বিরোধীরাও। তবে মথুরাপুর ১নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মানবেন্দ্র হালদার বলেন, দলীয়ভাবে ওই পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি এই ঘটনার সত্যি প্রমাণিত হয় তাহলে ঐ সদস্যকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।

নির্যাতিতার অভিযোগ, কাজের সুবাদে তারা আগে কলকাতায় থাকতেন। কিছুদিন আগে কলকাতা থেকে পাকাপাকিভাবে গ্রামের বাড়িতে ফিরেছিলেন। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই তাদের সঙ্গে আলাপের পাশাপাশি সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে গতকাল সকাল নাগাদ স্বামীকে ফোন করেছিল পঞ্চায়েত সদস্য। তিনি কাজের জন্য কলকাতায় থাকার কথা জানালে ওই পঞ্চায়েত সদস্য বুধবার কিছু না জানিয়ে হটাতই দুপুর দেড়টা নাগাদ তাঁদের বাড়িতে যায়। সেই সময় বাড়িতে ওই বধু একা রান্না করছিলেন। বাড়ি ফাঁকা পেয়ে তখন বধূকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে বাপ্পাদিত্য। ঘটনার পর বধূর স্বামীকে প্রাননাশের হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। তাপরর থেকে আতঙ্কিত নির্যাতিতা বধূ ও তার স্বামী। বিষয়টি নিয়ে রাতে গ্রামে সালিশি সভা ডাকা হলেও সেখানে অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য উপস্থিত না হওয়ায় বৃহস্পতিবার গ্রামবাসীদের একাংশের সাহায্য নিয়ে মথুরাপুর থানায় দারস্থ হন নির্যাতিতা বধূ ও তার স্বামী। 
সুন্দরবন পুলিশ জেলা সূত্রে জানা গেছে, বধূর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণের মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজ চলছে। https://fb.watch/jBVj6COCsG/ খবরটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
অন্যদিকে বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি প্রদ্যুৎ বৈদ্য এই ঘটনার ধিক্কার জানিয়ে বলেন, এটা একটা সামাজিক ব্যাধি। অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে দোষীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। আর নির্যাতিতা ওই পরিবারকে সামাজিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে দেওয়া উচিত প্রশাসনের।
