নিজস্ব প্রতিবেদক, নিউজ দিগন্ত বার্তা: বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের মধ্যে একসময় সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক ছিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি দলের বহু পদ সামলেছেন। এখন গোষ্ঠীকোন্দলের কারণে তিনি কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে গেছেন। তবে রাজনৈতিক মহলে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন দিলীপ ঘোষ কি ফিরতে পারেন রাজ্য কমিটিতে? কিংবা দলের অন্য কোনও সাংগঠনিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত হতে পারেন দিলীপ? যদিও দিলীপ ঘোষ প্রসঙ্গে রাজ্য সভাপতি সহ রাজ্য বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব সকলেরই একই মত, দিলীপ ঘোষ সম্পর্কে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তবে এবার দিল্লির নেতারা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতিকে ফের রাজ্য কমিটি কিংবা অন্যান্য কমিটিতে আসন দেন কিনা, সেটাই দেখার। শেষবার রাজ্য বিজেপির সল্টলেক দফতরে শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের পর দিলীপ বলেছিলেন, তাঁর এখনও ‘মার্কেটে’ দাম আছে।
দলীয় পদ নেই, সাংসদ পদও গিয়েছে ২০২৪ সালে। তবু যে তিনি বাংলার রাজনীতি থেকে প্রাসঙ্গিকতা হারাননি, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন বারবার। এবার কি তবে নতুন করে কোনও দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে? আবার কি কেন্দ্রীয় বা রাজ্য কমিটিতে জায়গা পাবেন দিলীপ? এই প্রশ্নের উত্তরে প্রাক্তন সাংসদ পূর্বে জানিয়েছেন, “দেখি পার্টি কীভাবে চায়। আমি তো বিধানসভায় আগে প্রার্থী হয়েছি, লোকসভাতেও হয়েছি। পার্টির প্রয়োজনে যেটা দরকার, সেটা করব।” শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর দলে পুরনোদের আধিক্য এবং গুরুত্ব যে বেড়েছে, তা বলাই বাহুল্য। আদি কর্মীদের দায়িত্বভার বৃদ্ধি এবং তাদের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনাই শমীক ভট্টাচার্যের অন্যতম লক্ষ্য, সে কথাও আগে স্পষ্ট হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দিলীপ ঘোষ যে বিজেপির দাপুটে নেতা, সে কথা অনস্বীকার্য। সুতরাং আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে দিলীপ ঘোষকে ফের প্রাসঙ্গিক করে পদ্ম শিবিরের রাজনীতির সামনের সারিতে আনা হয় কিনা, সেটাই এখন দেখার।