বন্দনা ভট্টাচার্য্য, হুগলী: হুগলী জেলায় এই প্রথম সিভিল সার্ভিস স্টাডি সেন্টার চালু হল। চুঁচুড়ার হুগলী উইমেনস্ কলেজের ক্যাম্পাসে সত্যেন্দ্র নাথ স্টাডি সেন্টারের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, হুগলী জেলার জেলা শাসক মুক্তা আর্য, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার অমিত প্রসাদ জাভালগী, হুগলী গ্রামীন পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন, মহকুমা শাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, হুগলী উইমেনস্ কলেজের অধ্যক্ষা সীমা ব্যানার্জী, এবং অন্যান্য উচ্ছ পদস্থ আধিকারিকগন।
জেলার যোগ্যদের সুযোগ দেওয়ার জন্যই ২০২৪ শিক্ষা বর্ষে এই স্টাডি সেন্টার চালু করা হল।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চাশ জন শিক্ষানবীশও। আবেদন করে এবং দু দফায় পরীক্ষার ভিত্তিতে যারা সুযোগ পেয়েছেন তাদের নিয়েই স্টাডি সেন্টার চালু করা হয়েছে। জেলা শাসক মুক্তা আর্য এই প্রশঙ্গে জানালেন, দুশো পঁচাশি জন আবেদনকারী পরীক্ষার্থী ছিলেন। দিল্লির খান স্টাডি সেন্টারের তত্বাবধানে তাদের লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। পরীক্ষায় যারা উত্তির্ন হয়েছেন তাদের পার্সোনালিটিও টেষ্ট হয়। একই সাথে সিনিয়র আইপিএস, আইএএস আধিকারিকগণের উপস্থিততে ইন্টারভিউ দিয়ে পঞ্চাশজন পড়ুয়াকে চুরান্ত পর্যায়ে নির্বাচন করা হয়।
এই ৫০ জনকেই স্টাডি সেন্টারের মাধ্যমে সরকারি খরচে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রতি সপ্তাহে পাঁচ দিন করে ক্লাস নেওয়া হবে। ক্লাস নেবেন সিনিয়র আইপিএস, আইএএস আধিকারিকগণ। এই বিষয়ে এক ছাত্রী বলেন, সরকারি ভাবে এমন একটা সুযোগ পেয়ে খুব ভালো লাগছে। সাধারণত বাংলা মিডিয়ামে পড়া ছাত্রছাত্রীরা আইপিএস বা আইএএস হয়েছে এটা খুব কম দেখা যায়। তবে উন্নতির ক্ষেত্রে ভাষা কোনো প্রতিবন্ধকতা হতে পারেনা। যদি সুযোগ পাওয়া যায় এবং সুযোগকে কাজে লাগানো যায়, তাহলে বাংলা মাধ্যমে পড়া ছাত্রছাত্রীরাও আইএএস, আইপিএস হতে পারে। অনুষ্ঠান শেষে পড়ুয়াদের হাতে শিক্ষার সামগ্রী তুলে দেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত আধিকারিকগন।