এজলাসে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জীবনকৃষ্ণ (jiban krishna saha)।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিবিআই ততটা তথ্য না দিলেও ইডির হাত থেকে বিধায়ক জীবনকৃষ্ণের রেহাই পাওয়া মুশকিল। ইডির হাতে এমন কিছু ফোন কল এসেছে তাতে ইডির পক্ষের যুক্তি খুবই বলিষ্ঠ। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের দেওয়া হয়েছে বিধায়ককে। সূত্রের খবর বেলা ১২টা ৪০ নাগাদ কোর্ট রুমে ঢোকেন জীবনকৃষ্ণ। সেই সময় কাঠগড়ার পাশেই কোর্ট রুমে বেঞ্চে বসে তার স্ত্রী ও পুত্র। কাঠগড়ায় ওঠার আগে ছেলের দুটো গাল জড়িয়ে জীবন নিজের মাথা ঠেকান ছেলের মাথায়। কপালে চুমু খেয়েই কেঁদে ফেলেন বিধায়ক।
জীবনকৃষ্ণ অপরাধী কি অপরাধী নয়, তার প্রমাণ ভবিষ্যৎ বলবে। কিন্তু একজন বিধায়ককে বার বার জেলে যেতে হচ্ছে এটা খুবই লজ্জার খবর। আজ কাঠগড়ায় রীতিমত কাঁদতে দেখা যায় জীবনকৃষ্ণকে। শনিবার অর্থাৎ আজ ১৪ দিনের জেল হেফাজতের আবেদন করা হয় ইডির তরফে। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কিত তথ্য দেওয়া কেস ডায়েরি জমা দেওয়া হয় আদালতে। জীবনকৃষ্ণের আইনজীবী ১২ দিনের জেল হেফাজত মঞ্জুরের আবেদন করলে আদালত তা প্রত্যাখ্যান করে।