নিজস্ব প্রতিনিধি, মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে তিনি যুক্ত বলে ইতিমধ্যে সিবিআই তাকে গ্রেফতার করে। বেশ কিছুদিন জেলে থাকার পরে জামিনে মুক্ত হন। আর তারপরেই ইডি তাকে গ্রেফতার করে। একবার গ্রেফতার হওয়ার পরেও যে তিনি নিজেকে সংশোধন করেন নি তা বোঝা যায়, গতবারের মতো এবারও তিনি তার মোবাইল পুকুরে ছুঁড়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু তা পুকুর পর্যন্ত না পৌঁছে ইডির হাতে পৌঁছে গেছে। আর সেখান থেকেই ইডির হাতে এসেছে বহু তথ্য।
তার ব্যাংক একাউন্টে প্রচুর টাকা। বিশেষ করে একজনের একাউন্ট থেকে ৫ লক্ষ টাকা ট্র্যান্সফার হয়েছে জীবনকৃষ্ণের একাউন্টে। আর এখানেই সমস্যায় তৃণমূল বিধায়ক। যদিও বিধায়ক বলেছেন যে তিনি জমি কেনার জন্য ওই টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু ওই টাকা দিয়ে জমি কেনা বা জমির জন্য অগ্রিম দিয়েছেন তার সপক্ষে কোনও নথি বা ডিড দেখাতে পারেননি।জীবনকৃষ্ণের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে ওই চাকরি প্রার্থীর নামে থাকা বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে ৫ লক্ষ টাকা ট্রান্সফার হয়েছিল, সেই ডিটেলস হাতে পেয়েছে ইডি। এমনকী ওই চাকরিপ্রার্থীর বয়ান থেকেও সেই তথ্য পাওয়া গিয়েছে। ইডির দাবি জীবনকৃষ্ণ ওই প্রার্থীর টাকা ফেরৎ দিয়েছিলেন। এই একটি তথ্য তুলে ধরে ইডি দাবি করে গত কয়েক বছরে জীবনকৃষ্ণের সম্পত্তি বেশ কয়েকগুন বেড়ে যাওয়ার কারণ তিনি চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে বিপুল টাকা নিয়েছে।