বাংলার মেধাবীরা উচ্চ শিক্ষার জন্য পাড়ি দিচ্ছে ভিন রাজ্যে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, নিউজ দিগন্ত বার্তা: নানা তর্ক ও বিতর্কের পরে, আদালতের হস্তক্ষেপে অবশেষে চার মাস পরে বের হয় জয়েন্টের রেজাল্ট। কিন্তু মেধা তালিকার প্রথম ১০ জন ইতিমধ্যে চলে গেছে অন্যত্র। তারা বাংলায় থাকবে না। মেধাতালিকায় প্রথম ১০ জনই কেউ পড়ছেন IIT খড়্গপুর, কেউ আবার একেবারেই ভিন রাজ্যে পাড়ি দিয়েছেন। সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা দিয়ে সবাই রাজ্যের বাইরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছেন। মেধাতালিকার পরের দিকেই একই হাল। উচ্চশিক্ষার জন্য দিল্লি, মুম্বই, পুণে, বেঙ্গালুরুতে চলে গিয়েছেন। প্রতি বছরই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরে ও তার ফল প্রকাশের মধ্যবর্তী একটি সুনির্দিষ্ট সময়ে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা নেওয়া হয়। সেই হিসাবে এপ্রিল মাসে এবারও পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে ২৮ এপ্রিল পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। ফল বেরিয়েছিল ৬ জুন। ২০২৩ সালে ৩০ এপ্রিল পরীক্ষা নেওয়া হয়। ফল বেরিয়েছিল ১৭ জুন। কিন্তু এবছর ফল প্রকাশ না হওয়ায় উদ্বেগে ছিল সকলেই।
ইতিমধ্যে বেরিয়ে যায় সর্বভারতীয় JEE মেইন ও JEE অ্যাডভান্স পরীক্ষার ফল। বলাই বাহুল্য, কৃতীরা আর অপেক্ষায় থাকেননি। সাধারণত বাংলায় যাঁরা জয়েন্ট পরীক্ষা দেন, তাঁদের কাছে প্রথম অপশনই হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু এবারের পরীক্ষার ফল দেরি হওয়ায় অনেক কৃতীই রয়েছেন, যাঁদের স্বপ্ন ছিল যাদবপুরে পড়বেন, তাঁরাও পাড়ি দিয়েছেন ভিন রাজ্যে। সর্বভারতীয় প্রবেশিকার ফল প্রকাশের পরে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি কলেজে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। আর তাতেই এই চার মাসের ব্যবধানে বাংলা ছাড়া কৃতীরা। এটা বাংলার শিক্ষার ক্ষেত্রে খুবই অশুভ ইঙ্গিত। ভালো পড়ুয়ারা বাংলার বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য বাংলা ছেড়ে চলে যাচ্ছে।