বন্দনা ভট্টাচার্য, হুগলি: এক ব্যাংক কর্মীর রহস্য মৃত্যু ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ালো। একটি অভিজাত বহু তলের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় ব্যাংক কর্মীর দেহ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান বহুতল থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। মৃত ব্যক্তির নাম সৌমেন দে। বয়স ৩৯ বছর। ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির চন্দননগর কর্পোরেশনের অন্তর্গত ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের লিচুতলা এলাকায়। এখানে রথের সড়কের একটি বহু তলে সৌমেন ও তার স্ত্রী থাকতেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুঁচুড়া খাদিনা মোড় স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া শাখার ক্লার্ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন সৌমেন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি চন্দননগরের বৈদ্যপোতায়।
প্রথম পক্ষের স্ত্রীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার দুই বছর পর তিনি দ্বিতীয় বার বিবাহ করেন। এবং তার পরে এই অভিজাত বহুতলে একটি ফ্ল্যাট কেনেন। স্বামী-স্ত্রী সেখানেই থাকতেন। বৃহস্পতিবার সকালে স্ত্রীর সাথে একসাথে জলখাবার খেয়েছেন। এরপর স্ত্রী তাঁর বাবাকে নিয়ে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে কলকাতায় গিয়েছিলেন। স্ত্রী বেরিয়ে যাবার পরেই আটতলার আবাসনের উত্তর দিকের ব্যালকনি থেকে নিচে ভারী কিছু পড়ার আওয়াজ পান আবাসনের প্রতিবেশীরা। তাঁরা নিচে ছুটে এসে দেখেন সৌমেন রক্তাক্ত অবস্থায় নিচে পড়ে আছে। খবর দেওয়া হয় চন্দননগর থানায়। খবর দেওয়া হয় পরিবারের লোকের কাছেও। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। পরিবারের সাথে কথা বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মানসিক অবসাদ থেকেই সৌমেন আট তলার ব্যালকনি থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে আত্মহত্যা করেছে না কেউ তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে সে বিষয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।